হাসনাত আব্দুল্লাহ, এক সময়ের চুপচাপ কুচকুচে কালো শুয়োরটি আজ পাকিস্তানের প্রেতাত্মাদের ক্যাপ্টেন! বাংলাদেশে বসে পাকিস্তানি দোসরদের পূর্ণবাসন প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক! জনগণ যাকে নাম দিয়েছে— শুয়োর হাব্দুল্লাহ!
জুলাই আগস্ট ষড়যন্ত্র মহাপরিকল্পনায় পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা যখন ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের’ সর্বশেষ প্রতীক ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’কে নিষিদ্ধ করার স্বপ্ন দেখছে, সেই স্বপ্নকে রাস্তবায়নের নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে এসেছে ক্যাপ্টেন পাকিস্তান হাসনাত আব্দুল্লাহ! কী চমৎকার দক্ষতায় সে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে দমনের মহান ব্রত নিয়েছে! স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে পূর্ব পাকিস্তান বানানোর প্রতিযোগিতায় সে যেন অলিম্পিক স্বর্ণপদক জয়ী!
রাজাকারদের পুনর্বাসনের এই মহান আয়োজনে তার হাতের জাদু এতটাই তীব্র যে, একে একে সব পাকিস্তানি দোসররা সমাজে “দেশপ্রেমিক” বনে যাচ্ছে! পাকিস্তান প্রেমিদের বুকে স্বস্তি, রাজাকার সন্তানদের চোখে আনন্দাশ্রু—”আমাদের হাব্দুল্লাহ ভাই আছে, ভয় কিসের?” আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লোকেরা? তারা আজ কালা শুয়োর হাব্দুল্লাহর কালো ছায়ায় কোণঠাসা!
এভাবেই বাংলাদেশে বসে, বাংলাদেশের জনতাকে বোকা বানিয়ে, তাদেরই টাকা লুটপাট করে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর শেষ ধাপে পৌঁছে গিয়েছে হাসনাত আব্দুল্লাহরা!
‘লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান’ — এটাই হলো ক্যাপ্টেন পাকিস্তানের মূলমন্ত্র !
লিখেছেনঃ এস এইচ চৌধুরী