পঞ্চগড়ের মাটিতে ইতিহাস সৃষ্টি হলো! এক সময়ের ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের হলে থেকে ভাঙ্গাচোরা বাটন ফোন হাতে ঘুরে বেড়ানো সারজিস আলম সাত মাসে পরিণত হয়েছেন শতাধিক গাড়ির বহরের মহারাজ! কেমন লাগছে? নিশ্চয়ই আমরা এক নতুন অর্থনৈতিক তত্ত্বের সন্ধান পেয়েছি— “সাত মাসে জমিদার”!
সারজিস বলেছিলেন, “আমার পকেটে ১,০০০ টাকা খুঁজলেও পাবে না!” আর এখন? ১০০ গাড়ির বহর নিয়ে শহরে ঢুকে বলছেন, “আমাদের পরিবার তো জমিদার ছিল!” বাহ্, বাহ্! তাহলে কি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মরণোত্তর জমিদারত্বের সনদ পেয়েছে সারজিস আলমের দাদা? ৫ আগস্টের আগে যাদের দিন আনি দিন খাই অবস্থা ছিল, সেই পরিবারের ছেলে সারজিস এখন বলছে তার দাদার রাজ্যে হাতিশালে হাতি ছিল, ঘোড়াশালে ঘোড়া, রাজকোষে ছিল হীরে মুক্ত চুনি পান্না!
এতদিন আমরা জানতাম, ধনীরা ধনী হয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। কিন্তু সারজিস প্রমাণ করলেন, শুধু সাত মাসেই কোটিপতি হওয়া সম্ভব— যদি আপনি “সঠিক জায়গায়” থাকেন!
আর “ফেসবুক রাজনীতি” বনাম “মাঠের রাজনীতি“— বাহ্! সাত মাস আগে যিনি মাঠের রাজনীতি করতে গিয়ে হোস্টেলের মেসের আলু-ভর্তা খেতেন, এখন তিনি বলছেন, “পুরনো বন্দোবস্ত দরকার!” পুরনো বন্দোবস্ত মানে কি সেই জমিদারিত্বের সনদ, যা হুট করে আবিষ্কৃত হলো?
আসলে সারজিস আলম বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক নতুন ক্যারিয়ার অপশন তৈরি করলেন— “আত্মীয়-স্বজন ও দাদার ভূয়া জমিদারি আবিষ্কারের মাধ্যমে অঢেল সম্পত্তি বানানো”। যারা কর্পোরেট চাকরি, ব্যবসা বা স্টার্টআপ নিয়ে ভাবছেন— ভুলে যান! আপনিও সাত মাসে জমিদার হতে পারেন, যদি “ঠিকঠাক” পথ ধরেন!
শুভ কামনা।