এক সাদাপাথরেই নির্ভর করছে ড. ইউনূসের ৫০০০ বছর শাসনের ভবিষ্যৎ

ভোলাগঞ্জের এক সাদা পাথরের মহিমায় বদলে যাবে পুরো বাংলাদেশ, অমরত্ব পাবেন ড. ইউনূস | The glory of a single white stone from Bholaganj will transform all of Bangladesh and grant Dr. Yunus immortality. ভোলাগঞ্জের এক সাদা পাথরের মহিমায় বদলে যাবে পুরো বাংলাদেশ, অমরত্ব পাবেন ড. ইউনূস | The glory of a single white stone from Bholaganj will transform all of Bangladesh and grant Dr. Yunus immortality.

সাদাপাথর, ভোলাগঞ্জ (সিলেট) থেকে বিশেষ প্রতিনিধি: গ্রামীন ব্যাংকের বিশ্ববিখ্যাত কিস্তিবাজ, জিরোতত্ত্বের কালজয়ী জনক ও মাইনাস সূত্রের আন্তর্জাতিক ফেরিওয়ালা, গণতন্ত্রের গোপন স্নাইপার ও সংস্কারের কসমেটিক সার্জন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ ইউনূসের শাসনকাল পাঁচ বছর নয়, বরং পাঁচ হাজার বছর স্থায়ী করার যে ‘অমরত্ব প্রকল্প’ হাতে নেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নের শুরুতেই এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। প্রধান উপদেষ্টাকে মমি করে পিরামিডের ভেতর থেকে দেশ শাসনের সুযোগ করে দেওয়ার সেই ঐতিহাসিক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরপরই সিলেটের ভোলাগঞ্জ থেকে চুরি হয়ে যায় পিরামিড নির্মাণের প্রায় সমস্ত পাথর। এই ঘটনায় যখন পুরো জাতির ভবিষ্যৎ প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই দৈবক্রমে খুঁজে পাওয়া যায় প্রকল্পের শেষ পাথরটি। আর তাই, উপদেষ্টার পাঁচ হাজার বছরের শাসন নিশ্চিত করার এই শেষ সম্বলটুকু রক্ষা করতে এখন মাঠে নেমেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ শক্তি।

এই মহাবিপর্যয়ের খবর আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। মিশরের ‘ পুরাকীর্তি ও মমিকরণ মন্ত্রণালয়’ এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, “একটি জাতির শাসকের অমরত্ব নিয়ে এমন অপেশাদার আচরণ হতাশাজনক। মূল নির্মাণসামগ্রী হারিয়ে ফেলা একটি গুরুতর ভুল। আমরা কারিগরি সহায়তা দিতে প্রস্তুত, তবে এর জন্য উপযুক্ত সম্মানী প্রদান করতে হবে।”  জাতিসংঘে এক পাকিস্তান এই চুরির পেছনে ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা-বিরোধী চক্র’ এবং ইন্ডিয়ার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে, যা সংকটটিকে এক নতুন ভূ-রাজনৈতিক মাত্রা দিয়েছে।

দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। থমথমে মুখে তিনি বলেন, “আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আপনারা যেটিকে একটি পাথর ভাবছেন, সেটি নিছকই পাথর নয়। এটি আমাদের অবিসংবাদিত নেতা, প্রধান উপদেষ্টার অমর আত্মার ধারক ও বাহক হতে চলেছিল। এটিই সেই ভিত্তি যার ওপর আমাদের পাঁচ হাজার বছরের স্থিতিশীলতার স্বপ্ন রচিত হয়েছিল। যারা বাকি পাথরগুলো চুরি করেছে, তারা সাধারণ চোর নয়; তারা দেশের শত্রু, তারা অমরত্বের বিরুদ্ধে এক গভীর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। সুতরাং এই শেষ পাথরটিকে রক্ষা করার অর্থ হলো স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টার অমর ভবিষ্যতকে রক্ষা করা।”

এই প্রকল্পের সঙ্গে ওতপ্রতভাবে জড়িত পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পাথরটির ‘ভূতাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক’ গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলেন, “আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি, হাজার হাজার পাথরের মধ্যে এই সাদা পাথরটির গঠনই ছিল অনন্য। এর মধ্যে এমন এক ‘জিও-অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ’ তরঙ্গ রয়েছে যা একজন মমিকৃত শাসকের প্রশাসনিক শক্তিকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। বাকি পাথরগুলো ছিল শুধুই কাঠামো, কিন্তু এটি হলো প্রকল্পের ‘সঞ্জীবনী পাথর’ বা প্রাণকেন্দ্র। এটি ছাড়া অমরত্ব প্রকল্প অসম্ভব।”

এই বক্তব্যের পরপরই জাতির সামনে প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি তুলে ধরেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহম্মদ ইউনূসের প্রেস এবং স্ট্রেস সচিব, ফরাসি বার্তা সংস্থার সাবেক ব্যুরো চীফ, ‘মব’ কে ‘প্রেসার গ্রুপ’ নামকরণের মহান আবিস্কারক ও সাংবাদিকতার ব্যর্থতা বিষয়ক গবেষক ডাস্টবিন পাগলা আল্লামা শফিকুল আলম। তিনি একটি জটিল ডায়াগ্রাম দেখিয়ে বলেন, “এই ‘সঞ্জীবনী পাথর’-এর ক্রিস্টালাইন কাঠামো প্রধান উপদেষ্টার post-mortal চেতনার ফ্রিকোয়েন্সির সঙ্গে অনুরণিত হতে সক্ষম। আমাদের নতুন ‘পিরামিড মিনিমালিজম’ পরিকল্পনায় এই পাথরটি একটি ‘সাইকো-অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ওয়েভ অ্যামপ্লিফায়ার’ হিসেবে কাজ করবে, যা উপদেষ্টার মমিকৃত দেহ থেকে স্থিতিশীলতার তরঙ্গ গ্রহণ করে সারাদেশে ছড়িয়ে দেবে। এর মাধ্যমে আমরা low-latency যুক্ত একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিহীন শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারব।”

এই চরম উত্তেজনার মধ্যে জাতির উদ্দেশে একটি লিখিত বার্তা পাঠিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বার্তায় তিনি বলেন, “একটি জাতির পথচলা অনেক দীর্ঘ। পাঁচ বছর তো চোখের পলক মাত্র। একটি দেশকে তার চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছে দিতে এমন এক দর্শন প্রয়োজন যা নশ্বর জীবনকে অতিক্রম করে যায়। আমার এই নশ্বর দেহ অবসরের পর পিরামিডের ভেতর থেকে জাতিকে সেবা করার যে সিদ্ধান্ত, তা একান্তই দেশের ভবিষ্যতের কথা ভেবে নেওয়া। এই শেষ পাথরটি আমার জন্য নয়, এটি তোমাদের অনাগত প্রজন্মের স্থিতিশীলতার গ্যারান্টি। যে কোনো মূল্যে এটিকে রক্ষা করতে হবে।”

প্রধান উপদেষ্টার এই আবেগঘন বার্তার পর দেশজুড়ে ‘পাথর বাঁচাও, ভবিষ্যৎ বাঁচাও’ আন্দোলন শুরু হয়েছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ‘পাথর রক্ষা সপ্তাহ’ ঘোষণা করেছে, যেখানে স্কুলছাত্রদের ‘আমার জীবনে শেষ পাথরের গুরুত্ব’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বলা হয়েছে। গতকাল জুমার নামাজের পর মসজিদে মসজিদে পাথরটির সুরক্ষার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।

যেহেতু একটি পাথর দিয়ে সুবিশাল পিরামিড নির্মাণ এখন আর সম্ভব নয়, তাই পরিকল্পনাতেও আনা হয়েছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রধান উপদেষ্টাকে মমি করে একটি সুরক্ষিত ভল্টে রাখা হবে। আর সেই ভল্টের উপরে স্থাপন করা হবে এই শেষ পাথরটি, যা আগামী পাঁচ হাজার বছর ধরে একটি শক্তিশালী অ্যান্টেনা হিসেবে উপদেষ্টার ‘স্থবির তরঙ্গ’ সারাদেশে ছড়িয়ে দেবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

সুতরাং, ভোলাগঞ্জে চলমান এই সামরিক মহড়া এখন আর শুধু একটি পাথর রক্ষার অভিযান নয়, এটি এখন দেশের ‘অমর শাসক’-এর ভবিষ্যৎ বাঁচানোর এক মরিয়া লড়াই। একটি জাতির পাঁচ হাজার বছরের রাজবংশের ভাগ্য এখন নির্ভর করছে এক টুকরো পাথরের ওপর, যা এটিকে পরিণত করেছে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সম্পদে।

#, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *