ড. ইউনূসকে ক্ষেপণাস্ত্র বানিয়ে ইসরায়েলে নিক্ষেপ!
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক অভূতপূর্ব দাবিকে কেন্দ্র করে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে, যার কেন্দ্রে রয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ব্যক্তিত্ব ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম ‘প্রভাবশালী মুসলিম’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠার মধ্যেই “বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ক্রন্দনরত মজলিসে শরাফত” নামক একটি সংগঠন এক গুরুতর প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। তাদের দাবি, ড. ইউনূসকে একটি জৈব-ক্ষেপণাস্ত্র বা ‘লিভিং মিসাইল’-এ পরিণত করে অবিলম্বে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হোক।
সংগঠনটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী, এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম হবে ‘মিজাইল আল-ইউনূস’। প্রচলিত বিস্ফোরকের পরিবর্তে এর মূল অস্ত্র হবে ‘ক্ষুদ্রঋণ’। পরিকল্পনাটি হলো, এই মিসাইলটি ইসরায়েলে আঘাত হানার পর কোনো বিস্ফোরণ ঘটাবে না, বরং সেখানকার জনগণের মধ্যে উচ্চ সুদের হারে ঋণ বিতরণ শুরু করবে। সংগঠনটির মতে, এই অর্থনৈতিক চাপ ইসরায়েলের সামরিক শক্তিকে ভেতর থেকে অচল করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, যা প্রচলিত যেকোনো অস্ত্রের চেয়ে কার্যকরী হতে পারে। এই কৌশলকে তারা ‘অর্থনৈতিক জিহাদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
ড. ইউনূসকে ক্ষেপণাস্ত্র বানিয়ে ইসরায়েলে নিক্ষেপের সময়, ড. ইউনূসের কন্যা ও অপেরা শিল্পী মনিকা ইউনূসের কণ্ঠকে ‘সোনিক ওয়েপন’ হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে, যা শত্রুপক্ষের রাডার সিস্টেমকে বিকল করে দেবে বলে উল্লেখ করা হয়।
“বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ক্রন্দনরত মজলিসে শরাফত” ড. ইউনূসকে ৭ দিনের মধ্যে স্বেচ্ছায় এই মিশনের জন্য নিজেকে হস্তান্তর করার আহ্বান জানিয়েছে, অন্যথায় তাঁকে যমুনা থেকে তুলে এনে সুপারগ্লু দিয়ে লাগিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র বানিয়ে ফেলা হবে বলে জানানো হয়। এই নজিরবিহীন দাবি এবং এর ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। পুরো বিষয়টি এবং এর পেছনের কারণগুলো বিস্তারিতভাবে জানতে উপরের ভিডিওটি দেখুন।
আপনি যদি ভেবে থাকেন রাজনীতি একটি নীরস বিষয়, তবে এই ভিডিওটি আপনার ধারণাকে রকেটের গতিতে বদলে দেবে!
ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক দিন, কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত জানান এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে এই রম্যের আনন্দ ছড়িয়ে দিন। আমাদের চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনে একটি ক্লিক দিয়ে রাখুন, কারণ আমাদের পরবর্তী মিসাইল… থুক্কু, প্রতিবেদনটি সরাসরি আপনার নোটিফিকেশনেই আঘাত হানবে!