বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক বিপ্লব ঘটে গেছে! না, কোনো আদর্শিক বিপ্লব নয়—এটা চুমু বিপ্লব! আর এই বিপ্লবের মহানায়ক জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
জনসভায় দাঁড়িয়ে নেতা যখন বলে ওঠেন,
“আপনাদের জন্য কিছু করতে পারলাম না, অন্তত একটা চুমু দিয়েই যাই!”
তখন বোঝাই যায়, দেশের রাজনীতিতে নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির আবির্ভাব ঘটেছে—চুমু থেরাপি!
এইতো সেইদিন রমজান উপলক্ষে জামায়াত আমির আয়োজন করলেন বিশেষ ইফতার মাহফিল। শিশুরা সারি বেঁধে বসা, আর তিনি একের পর এক কপালে, গালে, মুখে, এমনকি ঠোঁটেও চুমু দিচ্ছেন! যেন খাবারের চেয়ে তার চুমুই বেশি পুষ্টিকর! মনে হচ্ছিল, চুমু দিয়েই রোজাদারদের ইফতার করানোর ইচ্ছে ছিল তার!
জামায়াতের ‘চুমু রাজনীতি’র শ্রেষ্ঠ উদাহরণ দেখা গেল আবদুল হান্নান মাসউদের ওপর হামলার ঘটনায়। নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের একটি বাজারে নেতাকর্মীদের নিয়ে পথসভা করছিল হান্নান মাসউদ। ঠিক সেই সময়, বিএনপি পরিচয়ে একটি দল পশ্চিম দিক থেকে মিছিল নিয়ে এসে পথসভায় বাধা দেয় এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় হান্নান মাসউদসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন।
একসময় যাদের ‘মায়ের পেটের ভাই’ মনে করা হতো, সেই বিএনপির এমন আকস্মিক আক্রমণে জামায়াতের আমিরের হৃদয় ব্যথিত হয়ে ওঠে!
তাড়াহুড়ো করে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। আহত হান্নানকে বুকে জড়িয়ে ধরে গভীর আবেগে বলে উঠেন—
“চিন্তা করো না হান্নান মাসউদ, আমি চুমু দিয়ে তোমার সব ব্যথা সারিয়ে দেবো!”
বর্তমান বাংলাদেশে যেকোনো সংকটের একমাত্র সমাধান এখন জামায়াতীয় চুমুনীতি। এখন শুধু অপেক্ষা, “চুমু দিয়েই ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের” আনুষ্ঠানিক ঘোষণার!