ড. ইউনূসের জন্মদিন: শূকরই আমাদের নির্বাচনী প্রতীক এনসিপির ঘোষণা

গোলাপি শূকরেই আসবে মুক্তি, ড. ইউনূসের জন্মদিন উদযাপদে প্রকাশ পেল নতুন রাজনৈতিক দর্শন | NCP Declares the Pig as its Election Symbol on Dr. Yunus's Birthday.রাজনীতির মাঠে নতুন প্রাণী, শূকর প্রতীকে নির্বাচন করবে ড. ইউনূসের দল | NCP Declares the Pig as its Election Symbol on Dr. Yunus's Birthday.

গোলাপি শূকরেই আসবে মুক্তি, ড. ইউনূসের জন্মদিন উদযাপদে প্রকাশ পেল নতুন রাজনৈতিক দর্শন।

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের রাজনীতির প্রচলিত লাঙ্গল-নৌকা-শীষের প্রতীকের ধারাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে এক বৈপ্লবিক ও সাহসী পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করল নবগঠিত রাজনৈতিক দল এনসিপি। গ্রামীণ ব্যাংকের বিশ্ববিখ্যাত কিস্তিবাজ, জিরোতত্ত্বের জনক ও মাইনাস সূত্রের ফেরিওয়ালা, গণতন্ত্রের স্নাইপার ও সংস্কারের কসমেটিক সার্জন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির পিতা ও পথপ্রদর্শক, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জন্মদিন অনুষ্ঠানে তারা উন্মোচন করে তাদের দলীয় প্রতীক নাদুসনুদুস ‘গোলাপি শূকর’। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছত্রিশ পাউন্ডের একটি শূকর আকৃতির কেক কেটে দলের নেতারা ঘোষণা দেন, এই শূকরের হাত ধরেই আসবে বাংলার জনগণের প্রকৃত মুক্তি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মতিঝিলের রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ও অশান্তির কসাই ড. ইউনূস সভাস্থলে প্রবেশ করলে করতালির ঝড় ওঠে। ধবধবে সাদা পাঞ্জাবির ওপর হালকা রঙের কোটি পরিহিত ইউনূসের মুখে ছিল তাঁর সেই চিরচেনা মিচকা হাসি। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ হিসেবে যখন দলের প্রতীক আকৃতির কেকটি মঞ্চে আনা হয়, তখন উপস্থিত সাংবাদিক ও সুধীজনের মধ্যে একপ্রস্থ বিস্ময়ের গুঞ্জন বয়ে যায়।

একজন বর্ষীয়ান সাংবাদিক প্রশ্ন করার লোভ সামলাতে না পেরে জিজ্ঞেস করেই বসেন, “আপনাদের দলের প্রতীক শূকর কেন? ইহার পেছনের রাজনৈতিক দর্শনটা যদি ব্যাখ্যা করতেন।”

সাংবাদিকের এই সরল প্রশ্নে এগিয়ে আসেন কোটা আন্দোলনের ফেসবুক লাইভ তারকা ও নবগঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক, জনাব নাহিদ ইসলাম। তিনি গুরুগম্ভীর কণ্ঠে ব্যাখ্যা শুরু করেন, “চমৎকার প্রশ্ন! দেখুন, বাঘ-সিংহ এখন সার্কাসে আর চিড়িয়াখানায় মানায়। আর নৌকা-ধানের শীষের কী দশা হয়েছে, তা তো আপনারা দেখেইছেন। আমরা গতানুগতিক রাজনীতি করতে আসিনি। আমরা এসেছি পরিবর্তনের জন্য, আর আমাদের প্রতীকই সেই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।”

তিনি আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, “আপনারা শূকরকে কী ভাবেন? শূকর কাদা ঘাঁটতে ভালোবাসে। আমরাও জনগণের দুঃখ-দুর্দশার কাদায় নেমে কাজ করতে ভয় পাই না। শূকর সর্বভুক, সে কোনো কিছুতেই বাছবিচার করে না। আমাদের রাজনীতিও হবে এমনই সর্বজনীন; আমরা সকল মত, পথ ও আদর্শকে আমাদের বিশাল হৃদয়ে জায়গা দেব। আর দেখুন এর গায়ের রঙ গোলাপি! ইহা প্রেম, শান্তি ও তারুণ্যের প্রতীক। আমাদের শূকর হিংস্র নয়, আমাদের শূকর প্রেমময়। এই প্রেমময় শূকর দিয়েই আমরা ঘৃণার রাজনীতিকে প্রতিহত করব।”

এই গভীর তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় উপস্থিত সকলে মুগ্ধ হয়ে যান। স্বয়ং ড. ইউনূস আনন্দে কেঁদে ফেলেন। তিনি অশ্রুসিক্ত নয়নে বলেন, “আমি ভাবতেও পারিনি আমার ছাত্ররা এমন একটি যুগান্তকারী, সাহসী ও প্রগতিশীল প্রতীক বেছে নেবে। এই শূকরই বাংলার মানুষকে মুক্তি দেবে। আজ থেকে আমি নিজেকে ‘শূকরের পিতা’ বলে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করব।”

তাঁর কথায় সায় দিয়ে যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হযরত আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া (দাঃ বাঃ)  একটি নতুন স্লোগান ধরেন, “নৌকা না শূকর – শূকর!! শূকর!!”

এসময় পরিবেশ রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী, রাজাকার কন্যা উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানও এই প্রতীক নির্বাচনের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “প্রতীক হিসেবে শূকরের একটি বিশাল পরিবেশগত তাৎপর্য রয়েছে। শূকর প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ রিসাইক্লার। সে আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ নির্মল রাখে। আমাদের এনসিপিও তেমনি সমাজের সকল রাজনৈতিক আবর্জনা ভক্ষণ করে একটি ক্লিন ও গ্রিন বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।”

অবশেষে ডক্টর ইউনূস ছুরি হাতে নিয়ে কেক কাটার জন্য প্রস্তুত হন। কেক কাটার আগে তিনি বলেন, “এই আমাদের প্রতীক, এই আমাদের শক্তি। আসুন, আজ আমরা আমাদের প্রতীককে ভক্ষণ করে এর শক্তি নিজেদের মধ্যে ধারণ করি। এর প্রতিটি অণু-পরমাণু আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

এই বলে তিনি এক কোপে শূকরের মাথা কেটে ফেলেন এবং প্রথম টুকরোটি নাহিদের মুখে তুলে দেন।

#, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #, #

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *