– তারাবি শেষে গাছে উঠামু কারে? প্রতিবছর যারা উঠতো ওরা তো এখন নেতা!
– নাহিদ, সারজিস, হাসনাত, আসিফ তোরা নাই, কে করবে এখন ডাব চুরি!!!
“চোর ডাকাত চাঁদাবাজ”দের সমন্বয়ক নাহিদের চাঁদা দাবির ভিডিও ফাঁস
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর মহানগর শাখার সমন্বয়ক নাহিদ হাসান খন্দকারের চাঁদা দাবির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তির সঙ্গে টাকার বিষয়ে দরকষাকষি করছেন তিনি।
ওই কথোপকথনে নাহিদকে বলতে শোনা যায়, “আপনি তো দেখছেন বিষয়টি কোথায় গেছে। ইউএনও-ডিসিকে সামলাতে হচ্ছে। সংগঠন চালাতে গেলে কিছু বিষয় মেনে চলতে হয়। যদি মনে হয় কিছু কমাবেন, তাহলে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন। আমি চাই না আপনাদের কোনো সমস্যা হোক।”
ভিডিওতে দেখা যায়, নাহিদ এক বালু ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা দাবি করছেন। ব্যবসায়ী যখন তাকে কম টাকার প্রস্তাব দেন, তখন নাহিদ বলেন, “ব্যবসা চালাতে চাইলে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলুন। প্রয়োজনে সময় নিন।”
এ প্রসঙ্গে ইকোপার্ক পরিচালক বেলাল হোসেন জানিয়েছেন, নাহিদ তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেছিলেন এবং জেলা প্রশাসনের ভয় দেখিয়েছিলেন। পরে এই কথোপকথনের ভিডিও তারা রেকর্ড করে পুলিশের কাছে পাঠান। তবে তারা এটি ফেসবুকে ছড়াননি বলে দাবি করেন বেলাল।
এ বিষয়ে রংপুরের পুলিশ সুপার আবু সাইম জানান, কানাডাপ্রবাসী এক ব্যক্তি তার কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। তবে তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করেননি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা
চাঁদাবাজ এই সমন্বয়করা দেশের শাসনক্ষমতাও অবৈধভাবে কুক্ষিগত করে রেখেছে। জনগণের চোখে ধুলা দিয়ে, মিথ্যা আশার ফাঁদ পেতে তারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করছে। প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থাকে ধ্বংস করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দমিয়ে রাখা হচ্ছে। ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা করাও যেন এখন এক দুঃস্বপ্ন। অনেক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করতেও সাহস পাচ্ছেন না, কারণ দুর্নীতি ও ক্ষমতার দাপটে সাধারন মানুষ অসহায়।